Bangla Funny SMS 2019 For GF- বাংলা মাজার এসএমএস

Bangla funny sms/বাংলা মজার এসএমএস

bangla funny sms

bangla funny sms:


ব্যক্তি: বাবা, আমার ডানহাতটা চুলকাচ্ছে।
জ্যোতিষী : সুলক্ষণ, অর্থের আগমন হবে বেটা !
ব্যক্তি: বাঁহাতটাও চুলকাচ্ছে ,
জ্যো: বাহ্ চমৎকার, লটারি জিতবে!
ব্যক্তি: ডান পা টাও চুলকাচ্ছে !
জ্যো: ওরে বাপরে! বিদেশ যাত্রা হবে!
ব্যক্তি: বাঁ পাটাও চুলকাচ্ছে তো!
জ্যো: হতভাগা! তোর চুলকানি হয়েছে।


ফেসবুক হলো অনেকটা ফ্রিজের মতো। একটু পরপর খুলে দেখতে ইচ্ছা হয়, ভালো কিছু আছে কি না!


একটা মশার বাচ্চা প্রথমবার উড়তে গেল। ফিরে আসার পর তার বাবা জিগ্যেস করলো, কি রে কেমন লাগলো ? মশার বাচ্চা : দারুন লাগলো ! যেখানেই গেলাম সবাই খুব হাততালি দিয়েছে !!


কিপটে: দাদা, আমাকে নতুন চিরুনি দেবেন তো। পুরোনোটার একটা কাঁটা ভেঙে গেছে কিনা,
দোকানদার: একটা কাঁটা ভেঙে গেছে বলে আবার নতুন চিরুনি কিনবেন? ওতেই তো চুল আঁচড়ে নেওয়া যায়।
কিপটে: ধুর কি যে বলেন! ওটাই আমার চিরুনির শেষ কাঁটা ছিল।


অফিসে বসের মুড বেশ ভালো, কর্মচারীদের একের পর এক কৌতুক শোনাচ্ছিলেন। কর্মচারীরাও হাসছিল হো হো করে। শুধু হাসছিলেন না এক মহিলা।বস : কী ব্যাপার, তুমি হাসছ না কেন? মহিলা: আমি কাল চাকরি ছেড়ে দিচ্ছি। আমার অত হাসাহাসি না করলেও চলবে।


বাচ্চা ছেলে পাপ্পু প্রযুক্তি ব্যবহারে ওস্তাদ। কম্পিউটার, মোবাইল সব তার নখদর্পণে। একদিন পাপ্পুর বাবা তার জন্য একটা ফুটবল কিনে আনলেন। পাপ্পু খুশিতে ডগমগ হয়ে বলল, বাহ্! বাবা, দারুণ! কিন্তু ‘ User Manual’টা কোথায়? !


পরীক্ষার হলে পল্টু দরজার সামনে বসে লিখছে কেন? কারণ, ওটা ‘প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘ ছিল !


দুনিয়াতে একটা সাপ আছে যা প্রতি সেকেন্ডে ০.৬ সেমি বাড়ে এবং এত বিষধর যে নিজেই যদি নিজে ছুঁয়ে অবধি ফেলে সাথে সাথে মৃত্যু। কি সেই সাপ ? কোথায় থাকে ? Nokia ১১০০ মোবাইলটায় গেম সেকশানে.!


দাদু গেছেন জিমে গিয়ে, জিম ট্রেনারকে জিগ্যেস করলেন! সুন্দর, সুন্দর মেয়েদের ইমপ্রেস করতে কি মেশিন ব্যবহার করব? ট্রেনার: এটিএম মেশিন!


খরগোস দৌড়ায় , লাফায় , বাঁচে মাত্র ১৫ বছর ; কচ্ছপ দৌড়ায় না , কিছুই করে না , তা সত্বেও বাঁচে ৩০০ বছর ! নীতিবাক্য : ‘জিমিং -ব্যায়াম-ট্যায়াম এসব ছাড় আর ঘুমাও ভালো করে !


পিৎজা কি ? মহান, উত্তর : পিৎজা হলো একটা পরোটা যা বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য গিয়েছিল !


আপনার গার্লফ্রেন্ড কখনো রোমান্টিক sms পাঠালে আহ্লাদে গলে যাবেন না। একবার তো ভাবুন, sms টা ওর কাছে এলো কি করে ?


ছেলে: আমরা ২৫ ভাই বোন।
মেয়ে: তোমাদের বাড়িতে কি পরিবার পরিকল্পনা থেকে লোক আসেনি।
ছেলে: এসেছিল তো ! প্রাইমারি স্কুল ভেবে ফিরে গেছিল!


পল্টু: ডাক্তারসাহেব পেট খারাপের কিছু ওষুধ দিন তো। পল্টুকে দেখবার,পর ডাক্তারসাহেব একটা সিরাপ দিয়ে বললেন, প্রতিদিন চার চামচ খাবেন।
পল্টু: কিন্তু ডাক্তারসাহেব আমাদের বাড়িতে তো মোটে তিনটে চামচ আছে !


পরীক্ষায় নকল করে অনেক লোক সফল হয়েছেন। কিন্তু এর উলটোটার উদাহরণও প্রচুর। পরীক্ষায় প্রশ্ন এলো, শাহজাহান সম্বন্ধে দু-লাইনে লেখো। ক্লাসের ফার্স্টবয় লিখলো, যুদ্ধে হারিয়া ‘শাহজাহান’ ভাঙ্গিয়া পড়িতেন না।আর ঠিক তার পেছনে বসা নান্টুদা লিখলো, যুদ্ধে হারিয়া ‘শাহজাহান’ জাঙ্গিয়া পড়িতেন না।


মেয়েরা ফলের মত মিষ্টি , কিন্তু ছেলেরা আবার ফলের স্যালাড খেতেই বেশি পছন্দ করে।


টিচার: তোমার বাবার বয়স কত ? ছাত্র: আমার সমবয়সী, টিচার: সেটা কি করে সম্ভব? ছাত্র: আমি জন্মানোর পরেই তো উনি বাবা হলেন।


মেয়ে: আজকে আমার বাবা তোমার বাইকে আমাকে দেখে ফেলেছে। ছেলে: সেকি! তারপর ? মেয়ে: তারপর আর কি? বাসের ভাড়াটা ফেরত নিয়ে নিল !!


রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমার মনে হয় চশমা লাগবে । ক্যাশিয়ার: অবশ্যই আপনার চশমা লাগবে; কারণ আপনি এখন ব্যাংকে।



ছাত্র শিক্ষকের মজার এসএমএস



পাপ্পু : ইশ ! কেন যে আপেলের সাইজটা তরমুজের মতো হল না ! বাবা : কেন রে? ছেলে: মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সুত্রটা মুখস্থ হচ্ছে না তো তাই।


শিক্ষক: ইংরেজিতে কাঁচা বলে তোমাকে এডুকেশন বানানটা ১৫ বার লিখতে বললাম। তুমি পাঁচবার লিখছো কেন ? ছাত্র: স্যার, আমি অঙ্কেও বেশ কাঁচা।


শিক্ষক : বলতো পল্টু , শিক্ষকদের স্থান কোথায়?
পল্টু : কেন স্যার, আমার পেছনে।
শিক্ষক: শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শেখোনি, মহা বেয়াদপ।
পল্টু : কেন স্যার, আমার বাবা তো প্রায়ই বলেন, তোর পেছনে এত মাষ্টার লাগালাম, তবুও তুই পাশ করতে পারলিনা।


২জন অতীব ভদ্র ছাত্র, গরমকালে রাত জেগে পড়ছিল। ১জন, হঠাৎ করে বললো কটা বাজে বলতো ? আরেকজন একটা পাথর নিয়ে প্রতিবেশীর টিনের চালে মারল । এবং সেখান থেকে এক মহিলা বের হয়ে বলল, বজ্জাতের দল রাত ২ টো বাজে , এখনো ঘুমাসনি ?


শিক্ষক: বল তো, আমরা কীভাবে আমাদের স্কুলটাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে পারি?
ছাত্র: স্যার, আমরা ক্লাস না করে বাড়িতে বসে থাকতে পারি !


গাপ্পু: স্যারের মেসেজ এসেছে ,কাল ক্লাস নিতে চায় কি করি বলতো ?
পাপ্পু : ‘মেসেজ সেন্ডিং ফেইলড ‘ লিখে পাঠিয়ে দে।


সন্ত্রাসবাদীরা আমাদের পরীক্ষকদেরকে কিডন্যাপ করেছে। ৫০ হাজার টাকা দাবি করছে নয়তো কেরোসিন তেল দিয়ে জ্বালিয়ে দেবে বলছে ! প্লিজ ডোনেট কর, আমি ১০ লিটার দিয়েছি।


লাস্ট মিনিট সাজেশন একদম পড়বেই, এই প্রশ্নগুলো। ১. রোল নম্বর ২ .সাবজেক্ট ৩ .ডেট আচ্ছা বাবা ! ধন্যবাদ দিয়ে লজ্জা দিও না।


টিচার: বলোতো, পরীক্ষার খাতায় শুরুতে কি লেখা উচিত ?
ছাত্র: এই উত্তরপত্রে লিখিত উত্তর গুলি কাল্পনিক, ভিত্তিহীন এবং বাস্তবের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, কোনো প্রকাশিত /অপ্রকাশিত বইয়ের সাথে মিল থাকলে তা নিছকই কাকতালীয়। এতদ্বারা সমস্ত ছাত্রদের জানানো যাইতেছে যে, তাহারা রেজাল্টের পূর্বে গৃহে থাকা জুতো , হাওয়াই চপ্পল , ঝাঁটা ইত্যাদি যেন লুকিয়ে রাখেন। ছাত্র স্বার্থে প্রচারিত ‘স্টুবাঁস স্টুডেন্ট ‘ বাঁচাও সংঘ !!


সাইকেল, ম্যাকমিলান, টেলিস্কোপ, গ্যালিলিও , টেলিফোন, গ্রাহাম বেল , পরীক্ষা, খোঁজ শালাকে একসাথে মারবো !


পরীক্ষা অনেকটা গার্লফ্রেন্ড এর মত। বেশি প্রশ্ন ,বুঝতে কষ্ট ,বেশি ব্যাখ্যা চাই। এবং অন্তিম ফল সেই ব্যর্থতা !!


হেহে ! আমার পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ ! পেন ,পেন্সিল, রাবার, সব রেডি এবার শুধু পড়তে বসতে হবে ..!


ডলার বেড়ে হয়েছে ৬০ টাকা , দুধ বেড়ে হয়েছে ৫০ , পেট্রল বেড়ে হয়েছে ৮০ ভাগ্যিস ! পাশ মার্কটা এখনো ৩০ আছে !


প্রশ্ন: কেন বেশিরভাগ ছাত্ররা ইন্জিনিয়ারিং ১ম সেমিস্টারে সব সাবজেক্টে পাস করতে পারে না ?
উত্তর : মসৃন রাস্তা যেমন, ভালো ড্রাইভার তৈরী করে না৷ পরিস্কার আকাশ যেমন ভালো পাইলট তৈরী করে না। তেমনি প্রথমেই সব সাবজেক্টে পাস ভালো ইঞ্জিনিয়ার তৈরী করে না তাই।


প্রচন্ড কষ্ট হয়, যখন ক্লাসে টিচার পরীক্ষার উওরপত্র দেখানোর সময় বলেন , তোমার এবং তোমার পিছনে বসা ছেলের উত্তরে হুবহু মিল। তাই বলে আবার ভাবেন না যে, প্রশ্নটাও একই ছিল।


 

One Comment

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *